দোগাছি ঘোড়ানাছ সরকারী প্রাঃ বিদ্যালয়

By নভেম্বর ১৫, ২০১৯ নভেম্বর ৩০, ২০১৯ প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

সংক্ষিপ্ত  পরিচিতি ও ইতিহাসঃ

কতকগুলো মহত মানুষের চিন্তা এ চেতনার ফল স্বরুপ গড়ে উঠেছিল ১৯৫৭ সালে আজকের দোগাছি ঘোড়ানাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কিছু ব্যক্তি বর্গের অসাধারন ভূমিকা, যাদের প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠে মানুষকে পরিশুদ্ধ করার জন্য বিদ্যাপীঠ তাদেরই কয়েকজনের সমন্বয় গড়ে উঠেছিল যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার ৯নং জামদিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কোণে ঘোড়ানাছ গ্রামে আজকের দোগাছি ঘোড়ানাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকাবাসী ও শিক্ষা অফিস কর্মী এবং উপেন বাবুর সহযোগিতায় ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ তারিখ থেকে বর্তমান দোগাছি ঘোড়ানাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের মোট জমির পরিমাণ ৩৩ শতক। স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছেন ৪ জন। স্কুলের মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৮২ যার মাঝে প্রাক-প্রাথমিকে ১৬ জন, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে ৯জন করে, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীতে ১৪ জন করে এবং পঞ্চম শ্রেণীতে রয়েছে ২০ জন ছাত্রছাত্রী ।

প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধাঃ

১)  শরীর চর্চা ও খেলা ধুলার মাধ্যমে শিশুর শারীরিক বিকাশের জন্য ব্যবস্থা রয়েছে। খেলাধুলার উপকরণ হিসাবে রয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট খেলার সরঞ্জাম, স্কিপিং রোপ, রিং, লুডু ইত্যাদি। এছাড়া রয়েছে দোলনা ও স্লিপার।

২) চারু কারুকলা শিক্ষাদানের মাধ্যমে শিশুর হাতে কলমে কাজ করিয়ে সৌন্দর্য চেতনা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করা হয়।

৩) সমাজের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহনের জন্য অনুপ্রেরণা ও নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জনের জন্য হাতে কলমে কাজ করিয়ে দল ও ষ্টুডেন্ট কাউন্সিল এর মাধ্যমে আদর্শ নাগরিক ও নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জনের সুযোগ বিদ্যমান।

৪) অনুপস্থিত শিশুদের অনুপস্থিতি রোধ করা যায় এবং শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধির জন্য রয়েছে হোম ভিজিট কার্যক্রম যা শিক্ষকেরা পর্যায়ক্রমে সম্পাদন করে থাকেন।

৫) শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের জন্য রয়েছে বিভিন্ন রকম শিশু সাহিত্য এবং গল্পের বই, মিনা কার্টুন ইত্যাদি যা সপ্তাহে কোন নির্দিষ্ট দিনে শিশুদের পড়তে দেওয়া হয়।

৬) প্রতিবছর এ বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র/ছাত্রীদের বিনামূল্যে সরকার প্রদত্ত বই বিতরণ করা হচ্ছে।

৭) প্রতিবছর এ বিদ্যালয়ের মোট ছাত্র/ছাত্রীর ৫০% উপবৃত্তি সুবিধা ভোগীর আওতায় আনা হয়েছে। সরকার প্রদত্ত উপবৃত্তির টাকা প্রতি তিন মাস অন্তর সুবিধা ভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে।

8) সরকার প্রদত্ত শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী পড়ানো হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে একদিন। এই শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী পড়ে ছেলে মেয়েরা আনন্দ পাচ্ছে এবং পড়ার প্রতি আগ্রহ আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা এর টাকা দিয়ে ছেলে মেয়েদের উপকরণ, খেলাধুলার সামগ্রী, পাঠ উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করছে।

Leave a Reply