মালিয়াট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

By নভেম্বর ১৫, ২০১৯ ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০ প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

বিদ্যালয়ের নাম ৪০নং মালিয়াট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। জ্ঞান-ই শক্তি। এ জ্ঞান শক্তি শিশুরা এ বিদ্যালয় থেকে গ্রহণ করে থাকে। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের মানসিক বিকাশে এ বিদ্যালয় যথাযথ ভুমিকা পালন করে থাকে।

অবস্থান : ৪০ নং মালিয়াট সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়টি নড়াইল সদর উপজেলার ৭নং শেখহাটি ইউনিয়নের মালিয়াট গ্রামে অবস্থিত।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস : মালিয়াট গ্রামের নিবাসী স্বর্গীয় পন্ডিত রাসমোহন মিশ্র ১৯১৪ ইং সারে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। এগারোখানে শিক্ষার আলোর দিশারী স্বর্গীয় পন্ডিত রাসমোহন মিশ্র গ্রামের লোকজনের সহায়তায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে বিদ্যালয়ের জন্য ছাত্র-ছাত্রী ও অর্থ সংগ্রহ করতেন।

অব-কাঠামো : চার কক্ষ বিশিষ্ট একটি একতলা ভবন নিয়ে গঠিত মালিয়াট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টিতে দুই শিফটে ক্লাস পরিচালিত হয়। শিশুদের শিখন উপযোগী নানা ধরনের উপকরণ আছে বিদ্যালয়টিতে। এ বিদ্যালয়ে শিশুতোষ সাহিত্যসমৃদ্ধ একটি পাঠাগার রয়েছে তাছাড়াও বিদ্যালয়ে একটি বঙ্গবন্ধু বুক কর্ণার রয়েছে যা বঙ্গবন্ধু ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বহন করে। এ বিদ্যালয়ে শিশুদের খেলার জন্য সবুজ গাছদ্বারা বেষ্টিত একটি খেলার মাঠও রয়েছে।

সহপাঠ ক্রমিক কার্যাবলী : এ বিদ্যালয়ে নিয়মিত সমাবেশ পরিচালিত হয। সমাবেশে গীতা পাঠ, জাতীয় সংগীত ও পি টি করানো হয়। সমাবেশের সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন নীতি বাক্য শেখানো হয়। এ বিদ্যালয়ে প্রতিবছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে এছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলো যথাযথ মর‌্যাদার সাথে পালন করা হয।

ফলাফল : মালিয়াট সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল বেশ ভালো। প্রতিবছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় থেকে ২/৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ এবং বৃত্তি পেয়ে থাকে

প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধাঃ

১)  শরীর চর্চা  ও খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুর শারীরিক বিকাশের জন্য ব্যবস্থা রয়েছে। খেলাধুলার উপকরণ হিসাবে রয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট খেলার সরঞ্জাম, স্কিপিং রোপ, রিং, লুডু ইত্যাদি। এছাড়া রয়েছে দোলনা ও স্লিপার।

২) চারু কারুকলা শিক্ষাদানের মাধ্যমে শিশুর হাতে কলমে কাজ করিয়ে সৌন্দর্য চেতনা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করা হয়।

৩) সমাজের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহনের জন্য অনুপ্রেরণা ও নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জনের জ্ন্য হাতে কলমে কাজ করিয়ে দল ও ষ্টুডেন্ট কাউন্সিল এর মাধ্যমে আদর্শ নাগরিক ও নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জনের সুযোগ বিদ্যমান।

৪) অনুপস্থিত শিশুদের অনুপস্থিতি রোধ করা যায় এবং শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধির জন্য রয়েছে হোম ভিজিট কার্যক্রম যা শিক্ষকেরা পর্যায়ক্রমে সম্পাদন করে থাকেন।

৫) শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের জন্য রয়েছে বিভিন্ন রকম শিশু সাহিত্য ও গল্পের বই, মিনা কার্টুন ইত্যাদি যা সপ্তাহে কোন নির্দিষ্ট দিনে শিশুদের পড়তে দেওয়া হয়।

৬) প্রতিবছর এ বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র/ছাত্রীদের বিনামূল্যে সরকার প্রদত্ত বই বিতরণ করা হচ্ছে।

Leave a Reply