নববর্ষের নতুন সাজে এগারোখানের স্কুল গুলো

পয়লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বঙ্গাব্দের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ । দিনটি সকল বাঙালী জাতির ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণের দিন । দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয় । এই উৎসব শোভাযাত্রা, মেলা, পান্তাভাত খাওয়া, হালখাতা খোলা ইত্যাদি বিভিন্ন কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয় । বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছা বাক্য হল “শুভ নববর্ষ”। নববর্ষের সময় বাংলাদেশে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয় । ২০১৬ সালে, ইউনেস্কো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই উৎসব শোভাযাত্রাকে “মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য” হিসেবে ঘোষণা করে । সারাদেশের মতো অমাদের এগারোখানেও পালিত হয় বাংলা নতুন বছরের এ দিন । সকালবেলা এগারোখানের প্রত্যেক স্কুলে মঙ্গল দ্বীপ প্রঞ্জলন ও আনন্দ শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিনের শুরু হয় । স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীরা বৈশাখের নতুন সাজে সেজে স্কুলে উপস্থিত হয় । আনন্দ শোভাযত্রা শেষে রং বেরং এর আবির খেলায় মেতে ওঠে শিক্ষর্থীরা ।ছেলেদের পোশাক থাকে পাঞ্জাবি অর মেয়েরা পরে আসে শাড়ি ।  সকল স্কুলের শিক্ষক/শিক্ষর্থীরা যেন সেদিন এক সুতোয় গাথা । সবাই ঢোল, প্লেকার্ড, ফেস্টুন তাছাড়া কেউ কেউ তো গ্রাম বাংলার ঔতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র একতারা দোতারা নিয়েও হাজির হয় । খুশির রং এ মেতে থাকে পুরা এগারোখান । স্কুলের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে শিক্ষর্থীদের জন্য  সকালে পান্তা ভাতের ও ব্যাবস্থা থাকে । সাকালের শোভাযাত্রা ও অবির খেলা শেষে বিকালের বৈশাখী মেলার জন্য সকলে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকে ।  সারা দেশের মতো অমাদের এগারোখানে প্রতি বছরই ধুমধামের সাথে পালন করা হয় এই দিনটি ।

Leave a Reply