ই ডি এফ এর ২০১১ থেকে ২০১৯

By নভেম্বর ২৯, ২০১৯ ই ডি এফ

২০১১ সালের ৬ ই অক্টোবর উদ্বোধনের পর থেকে নিয়মিত এগারোখান তথ্য -প্রযুক্তি কেন্দ্র থেকে প্রতি এলাকা নানা রকম সংবাদ ওয়েবসাইটে আপ্লোড করা শুরু হয়। বিভিন্ন গ্রামে কয়েকজন প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয় যারা নিয়মিত তথ্য -প্রযুক্তি কেন্দ্রে সংবাদ পৌছে দেয়ার কাজ শুরু করেন।

স্কুলে স্কুলে ক্ষুদে সাংবাদিক দল গঠনঃ

ওয়েবসাইট চালুর কিছুদিন পর এগারোখানের বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি করে ক্ষুদে সাংবাদিক দল গঠন করা হয়, যাদের কাজ ছিল স্কুল ও স্কুলের আশে পাশে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন লিখে ও স্কুলের দেয়াল পত্রিকার জন্য লেখা নানা গল্প কবিতা নির্দিষ্ট শিক্ষকের মাধ্যমে ওয়েবসাইট এ প্রকাশের জন্য পাঠিয়ে দেয়া। তাদের পাঠানো কন্টেন্ট গুলো নিয়মিত ওয়েবসাইটে আপ্লোড হতে থাকে আর দেশ-বিদেশ থেকে এগারোখানের অধিবাসীরা তাতে মন্তব্য করে উৎসাহিত করতে থাকে। এটা ছিল সেই সময়ের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণার উৎস।

বিতর্ক প্রতিযোগীতা ২০১১ঃ

২০১২ সালের ডিসেম্বরে বেনাহাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র ছাত্রীদের গ্রুমিং করা থেকে শুরু করে পুরো প্রতিযোগীতা শেষ করা পর্যন্ত সব কিছুই হয় এই সংগঠনের উদ্যোগে।

 

আর্ট স্কুল খোলাঃ

২০১২ সালের শুরুর দিকে এই সংগঠনের ব্যানারে, প্রখ্যাত চিত্র শিল্পী বিমানেশ বিশ্বাস এর সহযোগিতায় চালু করা হয় আর্ট স্কুল। প্রতি শুক্রবার নড়াইল থেকে শিক্ষকেরা আসতেন এগারখানের বাচ্চাদের ছবি আকা শেখাতে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালাঃ

২০১২ সালের আগস্ট মাসে সংগঠনের উদ্যোগে এগারোখানের স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুই দিন ব্যাপী তথ্য -প্রযুক্তির ওপর কর্মশালা পরিচালনা করা হয়। যেখানে অংশগ্রহণকারী প্রায় ১০০+ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট এর নানা রকম খুটিনাটি ব্যাপার যেমন, কিভাবে গুগলে কিছু সার্স করে বের করতে হয়, কিভাবে একটা ইমেইল আইডি খুলতে হয়, ইমেল পাঠাতে হয়, ইমেল রিসিভ করতে হয় ইত্যাদি বিষয় জানতে পারে এবং এটাই ছিলো প্রায় সবার জন্য প্রথম ইন্টার্নেট এর অভিজ্ঞতা।

প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২০১২ঃ

২০১২ সালের অক্টোবরে প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৪ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যার মধ্যে ছিল আর্ট স্কুলের শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, তথ্য প্রযুক্তির ওপর রচনা প্রতিযোগীতা, গুনীজন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, পুরোষ্কার বিতরনী ইত্যাদি।

শেষ দিনের অনুষ্ঠান শুরুর আগে একটি র‍্যালীর আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্টানে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়া প্রায় ১২৫ জন শিশুদের মাঝে ছবি আকার রং উপহার দেন ডাঃ রেবা মজুমদার। সংবর্ধনা দেয়া হয় এলাকার গুণিজনদের যাদের মধ্যে, বাবু গোকুল চন্দ্র বিশ্বাস, বাবু নারায়ণ চন্দ্র পাঠক, প্রখ্যাত যাত্রা অভিনেতা অনন্ত কুমার দাসসহ মোট ১১ জন

২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২০১৩ঃ

২০১৩ সালে সংগঠনের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

Leave a Reply